বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এ দিনটি পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে শ্যামনগরসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় বন বিভাগ, পরিবেশবাদী সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো নানা কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে। সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার নয়, এটি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলকে রক্ষা করার প্রাকৃতিক প্রাচীর হিসেবেও কাজ করে। তাছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, অবৈধ বন উজাড় ও নদীভাঙনের কারণে সুন্দরবন আজ নানামুখী হুমকির মুখে। তাই বন সংরক্ষণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
উপকূলীয় বাসিন্দারা বলেন, সুন্দরবনের উপর নির্ভর করেই হাজারো জেলে, মৌয়াল ও বাওয়াল জীবিকা নির্বাহ করেন। বন টিকে থাকলে উপকূল টিকে থাকবে—এই প্রত্যয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দরবন রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে।
দিবসটি উপলক্ষে ইয়ুথ প্লান বাংলাদেশ এর ইমাম হোসেনের দাবি, সুন্দরবন রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা না গেলে এই অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ হুমকির মুখে পড়বে। তাই বিশ্ব সুন্দরবন দিবসে নতুন করে অঙ্গীকার—“সুন্দরবন বাঁচলে, উপকূল বাঁচবে; উপকূল বাঁচলে, দেশ বাঁচবে।”
Leave a Reply